A-A+

প্রযুক্তিগত সূচক

মার্চ 20, 2019 বাইনারি বিকল্প ২০২০ লেখক 61839 দর্শকরা

সংস্করণ 358.16 সংস্করণে নতুন কী। পড়লাম। তয় মনে হচ্ছে প্রযুক্তিগত সূচক তোমার 'চিন্তার/বিশ্লেষনের একটা বিশেষ পদ্ধতি'টার কোন আলাদা নাম নেই, পোস্টমডার্নিস্ট মার্ক্সিজমেরই যাষ্ট একটা রূপ। শ্রেণীগত এ্যাডভান্টেজ বা ডিযএ্যাডভান্টেজ নিয়ে সচেতন হওয়াটা থেকেই কিন্তু পরের ধাপে (দেরিদার) যাওয়া যায়। সচতন না হইলে অধিকার নিয়ে কাজ করবা কেমনে! আমগো তর্কটাও অনেকটাই semantics নিয়েই মনে হইতেছে। মার্ক্সিজমকে বাতিল করা হইতেছে না, কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দেয়া হইছে।

ক্যান্ডলেস্টিক এনালাইসিস

কেল্টার চ্যানেলের জন্য অন্যতম একটি প্রয়োজনীয় বিষয় হল, মূল্য চ্যানেল ভেদ করার সময় সরবারহকৃত সংকেত ফিল্টার করা। এক্ষেত্রে, সবচেয়ে ভাল ফিল্টারিং পদ্ধতি নির্বাচন করার জন্য নির্দেশকটিকে ভালভাবে পরীক্ষা করে নিতে হবে। যাহোক, এটাকে ব্যবহার করার সবচেয়ে ভাল উপায়গুলোর মধ্যে একটি হল সুপরিচিত প্রবণতা শক্তি নির্দেশক 'এডিএক্স' এর সাথে ব্যবহার করা। না, তাও নয়। বলেছেন। মার্ক্স এঙ্গেল্‌সরা ওই কথাগুলি বলেছেন ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’তে।

প্রযুক্তিগত সূচক - বাইনারি বিকল্প কৌশল

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন সফটওয়্যার ‘ফ্লেক্সট্রেডের’ ত্রুটির কারণ আজ সোমবার লেনদেন মারত্মকভাবে প্রযুক্তিগত সূচক ব্যাহত হয়েছে। এই ত্রুটির কারণে অনেকগুলো ব্রোকারহাউজে বিধিবহির্ভূত ‘শর্ট সেল’ এর ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। ২০১৮ সালে একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ১২টি সিকিউরিটিজ ১ হাজার ২১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়৷ অপরদিকে ২০১৭ সালে তিনটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডসহ মোট ১০টি সিকিউরিটিজ ৮৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হয়৷

কৰ বচোঁৱা আঁচনি (ইকুইটি সংযোগী সঞ্চয় আঁচনি)

সেন্ট্রাল ক্যালকাটা নামে জায়গাটাকেও বলা চলে না কেন্দ্র ; ওটা যেন ভাইভূক অক্টোপাসের মতন বাছবিচারহীন বিস্তারে আক্রান্ত, আত্মরক্ষার জন্য থুতুর রঙিন ধোঁয়ার আড়ালে ঢেকে রাখে নিজেকে । সামলে না হাঁটলে গায়ে একশ বছরের পুরোনো চুনবালির গয়ের খসে পড়ে । আসলে রাবণের মাথাগুলোর কথাই লোকে জানে ; শিরদাঁড়ার ওপর ওই ভারসাম্যহীন মাথাগুলোর চাপের কথা কাউকে বলতে শোনা যায় না । এক দিকে চারটে মাথা, মাঝখানে

ফরেক্সকপি অনুসারীর অ্যাকাউন্টে কপিকৃত এবং লাভ বা লোকসানকৃত প্রতিটি ০.০১ লট অনুপাতে কমিশন, যা দিন শেষে অনুসারীর মাধ্যমে পরিশোধিত হবে।

প্রযুক্তিগত সূচক - ক্যান্ডলেস্টিক এনালাইসিস

গত অর্থবছরে ছিল ১ লাখ ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৪৭ কার্যদিবসে গড় লেনদেন ছিল ৪৩৪ কোটি টাকা। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২৩৯ কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয় ৭৫৫ কোটি টাকা। যা বিগত ৫ অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে… বিস্তারিত →

গল্প, ব্যাখ্যা, প্ররোচনা, বৃদ্ধির পরিস্থিতি সৃষ্টি, "গোপন পরামর্শ", উত্সাহ

যখন একটি লক্ষ্য বেছে নেওয়ার, উচ্চতর তাগ তারকা পড়ে ভয় পায় না। মুখতার Gusengadzhiev সহিংসতা, হয়রানি, এবং উদ্বেগ ব্যক্তির কারণে সৃষ্ট।

বিজ্ঞানী হি বলছেন, যেসব শিশুরা রোগ-বালাইয়ে ভুগবে না তেমন ধরনের ‘ডিজাইনার বেবি’ সৃষ্টি করাই তার কাজ। ট্রাফিক এবং পথচারী তীব্রতা বৃদ্ধি সঙ্গে ড্রাইভার কাজ শর্তাবলী।

মোটর ভিইকলস্ অ্যাক্ট ১৯৯৮ অনুযায়ী যেকোনও ভাড়ার গাড়ির চালক আট ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাবেন না। এই আইন মেনেই রাজ্য পরিবহন নিগম ওলা উবেরের মত অ্যাপ ক্যাব সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তি করে। অন ডিমান্ড ট্রান্সপোর্টেশন টেকনলজি এগ্রিগেটর অ্যাক্ট মেনেই শহর ও শহরতলিতে প্রায় ২০,৭০০ অ্যাপ ক্যাপ চলে। কিন্তু আদৌ কতটা মানা হয় এই আইন ? শহরে একের পর এক দুর্ঘটনা এই প্রশ্ন উঠছেই ৷ শরীরের উপকারে না এমন পণ্যগুলিতে আপনার নিজেকে সীমাবদ্ধ করা উচিত।

বরাবর আমাদের গারমেন্টসের দূর্ঘটনা, সংঘাতগুলোতে ভারতের জুজুর কথা শুনি। কিন্তু দেখি, যারা এসব করছে তারা এদেশেরই মানুষ, জুজুঅলারা ভারত পায় কই? ভারত যদি করেই থাকে তবে আমাদের লোকজনদের দিয়েই প্রযুক্তিগত সূচক করিয়েছে, আমরা এত সহজে, সস্তায় বিক্রি হয়ে যাই কেন? আমরা কে কত কম দামে সার্ভিস দিতে পারব সেই নিলামে বিক্রি হয়ে যাই। যে ক্রেতা, তার কী দোষ? আপনি নতুন সেবা সম্পর্কে সব কি আশ্চর্য হবে. ওয়েল, প্রথমত এর অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম মাধ্যমে OANDA ক্লায়েন্ট দ্রত আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তর দিনে 24 ঘন্টা নির্ভর করতে পারেন. যে তারা (পণ্য ও সেবা আমদানি ও রপ্তানির জন্য, যেমন) টাকা বিপুল পরিমাণে স্থানান্তর ব্যবহার করতে পারেন ঠিক

অর্থনীতি ও রাজনীতির ক্ষেত্রে জ্ঞানের উচ্চ পর্যায়ের। আগ্রাবাদ আবাসিক এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নিচতলায় এখন তিন থেকে পৌনে পাঁচ ফুট পানি। সেখানকার বাসিন্দাদের এখন প্রধান বাহন নৌকা ও রিকশা। জলাবদ্ধতা বেড়ে যাওয়ায় তিন-চারটি নৌকা দিয়ে এলাকার মানুষ কর্মস্থলে যাওয়া আসা করছেন। জানা গেছে, আগ্রাবাদ আবাসিক এলাকার কয়েকটি বাড়ির লোকজন যাতায়াত সমস্যা কাটাতে কমপক্ষে চারটি নৌকা কিনেছেন। সেখানকার একটি সরকারি দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য আরও একটি নৌকা কেনা হয়েছে। নৌকাটি এখন ওই দফতরে যাতায়াতের অন্যতম নিরাপদ বাহন হয়ে উঠেছে।